Posts

নাপাক কাপড় পবিত্র করার পদ্ধতি-

Image
 নাপাক কাপড় পবিত্র করার পদ্ধতি- ১. কাপড়ে যদি দৃশ্যমান নাপাকি লাগে, এমনভাবে যে নাপাকি দৃষ্টিগোচর হয়-তাহলে ঐ নাপাকি দূর করে দিলেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। যদি একবার ধোয়ার মাধ্যমেই নাপাক দূর করা যায় তাতেও কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। তিন বার ধোয়া শর্ত নয়। অর্থাৎ মূল নাপাক দূর হলেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। নাপাকী দূর হয়ে যাওয়ার পর যদি এর দাগ বা চিহ্ন বাকি থাকে (যা দূর করা কষ্টকর হয়) তবে এতে কোনো অসুবিধা নেই। এ ধরনের দাগ থাকার কারণে তা অপবিত্র গণ্য হবে না। হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত- হযরত খাওলা বিনতে ইয়াসার রাযি. রাসুল সঃ এর নিকট এসে বলেন-হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি মাত্র কাপড় আছে এবং তা পরিহিত অবস্থায় আমি হায়েযগ্রস্ত হই। তখন আমি কি করব? তিনি বলেন, তুমি পবিত্র হলে কাপড়টি ধুয়ে নাও, অতঃপর তা পরিধান করে নামায পড়। তিনি বলেন, যদি রক্তের দাগ দূরীভূত না হয়? তিনি বলেন, রক্ত ধৌত করাই তোমার জন্য যথেষ্ট, এর চিহ্ন তোমার কোন ক্ষতি করবে না। (আবু দাউদ-৩৬৫)  ২. আর যদি নাপাকি অদৃশ্যমান হয়, যেমন কাপড়ে লেগে থাকা নাপাকির যদি কোনো আলাদা রং দৃশ্যমান না হয়, তাহলে কাপড় ভালোভাবে ধৌত করার মাধ্যমেই পবিত্র হয়ে যাব...

সোনালী ব্যাংকে ১ লাখ টাকা এফডিআর (FDR) করলে মাসিক মুনাফা কত?%

Image
 সোনালী ব্যাংকে ১ লাখ টাকা এফডিআর (FDR) করলে মাসিক মুনাফা কত?   সোনালী ব্যাংক পিএলসি বর্তমানে স্থায়ী মেয়াদী আমানতের (FDR) সর্বশেষ হারের আপডেট প্রকাশ করেছে। ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর অনুযায়ী, ব্যাংক তিন ধরনের মেয়াদে আমানত গ্রহণ করছে। ৩ মাস থেকে ৬ মাস: ৮.২৫% ৬ মাস থেকে ১ বছর: ৮.৫০% ১ বছর থেকে ৩ বছর: ৮.৭৫% যদি এক লাখ টাকা তিন মাসের জন্য FDR করা হয়, তাহলে মোট প্রফিট হবে ৮,২৫০ টাকা। এটি এক বছরের হিসাব অনুযায়ী। তিন মাসের জন্য মাসিক প্রফিট হিসাব করলে দাঁড়ায় ৬৮৭ টাকা, যা তিন মাস শেষে ২,০৬২ টাকা হবে। উৎসেকর ১৫% কেটে নিলে হাতে পাবেন ১,৭৫৩ টাকা। ছয় মাসের জন্য এক লাখ টাকার FDR করলে প্রফিট দাঁড়ায় ৮,৫০০ টাকা, যা উৎসেকর কেটে হাতে পাবেন ৩,৬১২ টাকা। এক বছর এবং তিন বছরের জন্য যথাক্রমে হাতে পাবেন ৭,৪৩৮ টাকা ও ২২,৩১৩ টাকা। ২ লাখ এবং ৩ লাখ টাকা FDR করলে প্রফিট স্বাভাবিকভাবে দ্বিগুণ বা ত্রিগুণ হয়। ব্যাংক থেকে আমানত তুলতে হলে গ্রাহককে অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা জন্মনিবন্ধনের সত্যাহিত কপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

স্বামী যদি স'হবা'সে অ'ক্ষ'ম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উ'চিৎ

Image
 স্বামী যদি স'হবা'সে অ'ক্ষ'ম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উ'চিৎ প্রশ্ন- আমা'র স্বামীর সাথে আ'চরণের ক্ষেত্রে স'মস্যায় ভু'গছি। আমি জানি সে আমাকে আহ্বান করলে, মা'নসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলেও, তার কক্ষে যাওয়া আমা'র জন্য আবশ্যক। আরও জানি যে মি'থ্যা বলা ন্য'ক্কা'রজ'নক অ'প'রাধ। তবে আমা'র স্বামীকে খুশি করা আমা'র কাছে সবচেয়ে বড় বি'ষয়। এম'তাবস্থায়, আমি প'রিতৃপ্ত হয়েছি বলে ভা'ন ধ'রা কী' জা'য়েয হবে? আসলে আমি এই স'মস্যায় ভু'গছি। আমি মি'খ্যাও বলতে চাই না, আবার সে আমাকে প'রিতৃপ্ত করতে পারেনি এ-কথা বলে তাকে বি'ব্রতও করতে চাই না। এভাবে প'রিতৃপ্তির ভা'ন ধ'রা থেকে বি'রতও "হতে পারছি না, আবার সে বি'ব্রত বোধ করবে ভ'য়ে তাকে খো'লাখু'লি বলতেও পারছি না। আশা করি আপনি আমাকে এ ব্যাপারে দি'কনির্দে'শনা দেবেন। উত্তর- আল্লাহর কাছে দুয়া করি, তিনি আপনার ধৈ'র্য, আপনার রবের নির্দেশ মোতাবেক স্বামীর ইচ্ছা পূরণ ইত্যাদির জন্য তিনি আপনাকে উত্তম জা'যা দা'...

ভুলে স্ত্রী দুধ পান করে ফেললে কী বিবাহ বাতিল হয়ে যায় হাদিস কী বলে

Image
 ভুলে স্ত্রী দুধ পান করে ফেললে কী বিবাহ বাতিল হয়ে যায় হাদিস কী বলে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট উত্তর: ভুলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী যদি স্বামীর দুধ পানও করে ফেলে—তাতে বিবাহ বাতিল হয় না। ইসলামে এটাকে দুধ-সম্পর্ক (রিযা‘আত) ধরা হয় না। কারণ ও দলিল (হাদিসের আলোকে) ইসলামে **রিযা‘আত (দুধ-সম্পর্ক)**成立 হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত আছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো— শিশুকাল: দুধ পান করতে হবে শিশু বয়সে (দুই বছরের মধ্যে)। প্রাপ্তবয়স্ক হলে নয়: বড়/প্রাপ্তবয়স্ক কারো দুধ পান করলে রিযা‘আত成立 হয় না। 📖 রাসূল ﷺ বলেছেন: “দুধ-সম্পর্ক কেবল ক্ষুধা নিবারণের সময়েই হয়।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম) অর্থাৎ, যে দুধ পান শিশুর ক্ষুধা মেটায় (শিশুকালে)—সেটাই রিযা‘আত। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়। আরেক হাদিসে আয়িশা (রা.) থেকে এসেছে— “পাঁচবার পূর্ণ দুধ পান করলে তবেই রিযা‘আত প্রমাণিত হয়।” (সহিহ মুসলিম) এগুলো সবই শিশুর জন্য, স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে নয়। ফিকহি সিদ্ধান্ত স্ত্রী প্রাপ্তবয়স্ক দুধ পান শিশুকালে নয় তাই রিযা‘আত成立 হয় না বিবাহ সম্পূর্ণ বৈধ ও বহাল থাকে উপসংহার ✅ বিবাহ বাতিল হয় না ✅ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হারাম হয় ন...

লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া কী জায়েজ ইসলাম কী বলে

Image
 ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী–স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক মূলত হালাল। তবে লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া (oral sex) বিষয়ে আলেমদের মধ্যে ভিন্নমত আছে। সংক্ষেপে ইসলামী মতামতগুলো: বেশিরভাগ আলেমের মত: 👉 সরাসরি লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া অপছন্দনীয় (মাকরূহ)। কারণ— লজ্জাস্থান নাপাক স্থানের কাছাকাছি মুখে নাপাকি যাওয়ার আশঙ্কা থাকে শালীনতা ও মর্যাদার পরিপন্থী হতে পারে কিছু আলেমের মত: 👉 যদি নাপাকি মুখে না যায়, স্বামী–স্ত্রী দুজনেই রাজি থাকে এবং ক্ষতি না হয়, তাহলে হারাম বলা যাবে না, তবে উত্তমও নয়। যেগুলো অবশ্যই হারাম: নাপাকি (মযী/বীর্য/পেশাব ইত্যাদি) মুখে নেওয়া বা গেলা স্ত্রীর পায়ুপথে বা মুখে বীর্য নিঃসরণ করে গেলা উত্তম কী? ✔️ স্বামী–স্ত্রী যেন এমন পদ্ধতি বেছে নেয় যা নাপাকি থেকে মুক্ত লজ্জাশীলতা বজায় রাখে শরীয়তের সীমার ভেতরে থাকে 📌 উপসংহার: ইসলামে এটি স্পষ্টভাবে হালাল বলা হয়নি, অধিকাংশ আলেম মাকরূহ বলেছেন। তাই এড়িয়ে চলাই উত্তম ও নিরাপদ।

মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা, কোন গ্রেডে কত?

Image
 মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা, কোন গ্রেডে কত? দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল নিয়ে নানা আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত পে স্কেল ঘোষণার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। পে স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেলেও বেতন কাঠামো ঘোষণার অপেক্ষায় থাকাকালীন সময়েও বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থাই বহাল থাকবে বলে স্পষ্ট করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আর্থিক সংকট ও আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে স্কেল ঘোষণার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেতবে এ উদ্দেশ্যে গঠিত পে কমিশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়নি। কমিশনকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে- যাতে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করা যায়। কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে, যা নির্বাচনের পর নতুন নির্বাচিত সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সময়ের স্বল্পতা ও ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির কারণে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নতুন পে স্কেল ঘোষণার কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে নতুন...

‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’ বিস্তারিত কমেন্টে..

Image
 ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : ‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’ আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। মঙ্গলবার আইসিসির সঙ্গে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সেও একই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে বিসিবি— বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজন করতে হবে। বিসিবির পক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন। আলোচনায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে বোর্ড জানায়, ভারতে ভ্রমণ নিয়ে তাদের উদ্বেগ আগের মতোই বহাল। মিটিং শেষে বিসিবির সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। আমরা পজিটিভ থাকলেও অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও নড়ব না। আইসিসি বিকল্প খুঁজছে— আলোচনার দরজা খোলা আছে।” বিসিবির আগের বিবৃতিতেও জানানো হয়েছিল, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত। একই সঙ্গে আইসি...