যে দোয়ায় পাহাড় সমান ঋণও পরিশোধ হয়ে যায়!
পাহাড়সম ঋণ পরিশোধের জন্য একটি বহুল প্রচলিত ও শক্তিশালী দোয়া হলো: "আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক" (হে আল্লাহ! হারামের পরিবর্তে তোমার হালাল রুজি আমার জন্য যথেষ্ট করো। আর তোমাকে ছাড়া আমাকে কারো মুখাপেক্ষী কোরো না এবং স্বীয় অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে স্বচ্ছলতা দান করো), যা হযরত আলী (রা.)-এর মাধ্যমে বর্ণিত এবং এতে রিজিক বৃদ্ধি ও ঋণ মুক্তির কথা বলা হয়েছে, এটি নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তা'য়ালা ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে আশা করা যায়।
দোয়াটির বিস্তারিত:
আরবি উচ্চারণ: اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَামِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ।
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে হালাল রিজিকের মাধ্যমে হারাম থেকে বাঁচাও, এবং তোমার অনুগ্রহে আমাকে অন্য কারো মুখাপেক্ষী না করে স্বাবলম্বী করে দাও।
হাদিসের প্রেক্ষাপট:
হাদিস অনুযায়ী রাসুল (সা.) এই দোয়াটি আলি বিন আবু তালিব (রা.)-কে শিখিয়েছিলেন, যখন তিনি নিজেও চুক্তিবদ্ধ দাসদের অর্থ পরিশোধে অক্ষম ছিলেন। রাসুল (সা.) বলেছিলেন যে, এই দোয়া পড়লে যদি তোমার উপর পাহাড় পরিমাণ ঋণও থাকে, আল্লাহ তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেবেন।
আমলের পদ্ধতি ও গুরুত্ব:
ধারাবাহিকতা: এই দোয়াটি নিয়মিত, বিশেষত সকাল-সন্ধ্যায় বা যেকোনো ফরজ নামাজের পর পাঠ করা উত্তম।
রিজিকের উৎস: এটি শুধু ঋণ পরিশোধ নয়, হালাল রিজিক কামাই করার এবং আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে হাত না পাতার একটি সামগ্রিক দোয়া।
তাকওয়া: সাধ্যের বাইরে ঋণ নেওয়া ও দেওয়া ইসলামে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে, তাই দোয়া আমলের পাশাপাশি হালাল পথে আয় এবং frugality (মিতব্যয়িতা) অবলম্বন করা জরুরি।
Comments
Post a Comment